1.0 / August 11, 2017
(5.0/5) (1)

Description

সূরা ওয়াকি'আ বা অপরিহার্য ঘটনা - ৫৬

৯৬ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী
[দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]

ভূমিকা : এই শ্রেণীর এটা হলো সপ্তম বা শেষ সূরা। দেখুন ৫০নংসূরারভূমিকা।

দুই একটি আয়াত বাদে সম্পূর্ণ সূরাটির অবতীর্ণ স্থান মক্কা।

বিষয়বস্তু হচ্ছে শেষ বিচারের দিন এবং প্রতিটি বিষয়ের প্রকৃতমূল্যমানেরপ্রতিষ্ঠা ; [ ৫৬ : ১ - ৫৬ ] ; আল্লাহ্‌র ক্ষমতা, গুণাবলীও মহিমা [ ৫৬: ৫৭ - ৭৪ ] ; এবং প্রত্যাদেশের সত্য [ ৫৬ : ৭৫ - ৯৬]।

সার সংক্ষেপ : যখন রোজ কেয়ামত উপস্থিত হবে, পৃথিবীর মূল ভিত্তিকেঁপেউঠবে। মানুষকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছেঃ যারা আল্লাহ্‌র অতিনিকটেতারা সর্বোচ্চ প্রশান্তি ও সম্মান প্রাপ্ত ; ডানদিকের সঙ্গীযাদেরমাঝে প্রশান্তি বিরাজ করবে এবং বাম দিকের সঙ্গী যাদের মাঝেদুর্দ্দশাও কষ্ট বিরাজ করবে। [ ৫৬ : ১ - ৫৬ ]।

প্রত্যাদেশ আল্লাহ্‌র ক্ষমতা, গুণাবলী ও মহিমার নিদর্শন যামানুষকেআল্লাহ্‌র প্রত্যাদেশ গ্রহণে ও মহিমা কীর্তনে অনুপ্রাণীত করে [৫৬ :৫৭ - ৯৬ ]।


সুরা আর রাহমান, সুরা হাদিদ ও সুরা ওয়াকিয়া’র তেলাওয়াতকারীকেকেয়ামতেরদিন জান্নাতুল ফিরদাউসের অধিবাসী হিসেবে ডাকা হবে। অন্য একহাদিসেআছে, সুরা ওয়াকিয়াহ হলো ধনাঢ্যতার সুরা, সুতরাং তোমরা নিজেরা তাপড়এবং তোমাদের সন্তানদেরকেও এ সুরার শিক্ষা দাও। অন্য এক বর্ণনায়আছে:তোমাদের নারীদেরকে এ সুরার শিক্ষা দাও। আম্মাজান হজরত আয়েশা [রা.]কেএ সুরা তেলাওয়াত করার জন্য আদেশ করা হয়েছিল। তাছাড়া এ সুরাশারিরিকসুস্থতা রক্ষা ও অসুস্থতা দূরীকরণেও উপকারী। ইমাম গাজালী রহ.বলেন:মাশায়েখদের কাউকে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, আমাদের আওলিয়ায়েকিরামেরমধ্যে যে অভাবের সময় সুরা ওয়াকিয়াহ তেলাওয়াতের আমল জারী আছেতারউদ্দেশ্য কি এটা নয় যে, এর উছিলায় আল্লাহ তায়ালা যেনো অভাব মোচনকরেদেন এবং দুনিয়াবী প্রাচুর্য দান করেন, তাহলে আখেরাতের আমলদিয়েদুনিয়াবী সম্পদ কামনা করা কি বৈধ হলো? তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন,এআমলের দ্বারা তাদের উদ্দেশ্য ছিল, আল্লাহ তায়ালা যেনো তাদেরকেযেহালাতে রেখেছেন তার উপরই তুষ্ট থাকার তৌফিক দান করেন। অথবা এমনরিজিকদান করেন যার দ্বারা তারা ইবাদতের শক্তি যোগাবেন অথবা ইলমঅর্জনেরপাথেয় যোগাবেন। তাই এখানে দুনিয়া তলব করা উদ্দেশ্য হলো না বরংনেকীরকাজের উদ্দেশ্য করা হলো।

App Information সূরা ওয়াক্বিয়া (العربية ,উচ্চারণ,অর্থ,English,Mp3)

  • App Name
    সূরা ওয়াক্বিয়া (العربية ,উচ্চারণ,অর্থ,English,Mp3)
  • Package Name
    w3app9.sura56
  • Updated
    August 11, 2017
  • File Size
    Undefined
  • Requires Android
    Android 4.0.3 and up
  • Version
    1.0
  • Developer
    w3app9
  • Installs
    100 - 500
  • Price
    Free
  • Category
    Books & Reference
  • Developer
  • Google Play Link

w3app9 Show More...

সূরা আলাক (العربية, উচ্চারণ, অর্থ, English, Mp3) 1.0 APK
w3app9
সূরা ইক্‌রা বা পড় অথবা ঘোষণা কর - ৯৬অথবা আলাক্‌ বা জমাট রক্ত পিন্ড -৯৬১৯ আয়াত, ১ রুকু, মক্কী[ দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]ভূমিকা ও সার সংক্ষেপ : ৪০ বৎসর বয়সে হেরা পর্বতের গুহায়সর্বপ্রথমতাঁর এই সূরার [ ১ - ৫ ] পাঁচটি আয়াত রাসুলের নিকট সরাসরিঅবতীর্ণ হয়এটাই ছিলো প্রথম ওহী। এর পরে কয়েক মাস বা সম্ভবতঃ এক বছরেরবিরতি[Fatra] ছিলো। সূরা নং ৬৮ কে বলা হয় এই পাঁচটি আয়াতের পরেঅবতীর্ণদ্বিতীয় ওহী। কিন্তু এই সূরার পরবর্তী অংশ [ ৯৬ : ৬ - ১৯]দীর্ঘবিরতির পরে অবতীর্ণ হয়,এবং এই অংশকে পূর্বের পাঁচটি আয়াতের সাথেযুক্তকরা হয়, যেখানে আদেশ দান করা হয়েছে সত্য জ্ঞান প্রচারের জন্য।পরবর্তীঅংশ সংযুক্ত করার মাধ্যমে দেখানো হয়েছে যে, এই সত্য ওজ্ঞানকেপ্রচারের প্রধান বাঁধা হচ্ছে মানুষের একগুঁয়েমী,অহংকার এবংউদ্ধতপনা।দেখুন সূরা মুজাম্মিলের [ ৭৩ নং ] ভূমিকা।
সূরা ক্বাফ (العربية ,উচ্চারণ, অর্থ, English, Mp3) 1.0 APK
w3app9
সূরা কাফ্‌ - ৫০৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী[দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]ভূমিকা : এখন থেকে শুরু হচ্ছে সাতটি সূরার [ ৫০ -৫৬ ] একটি গ্রুপবাশ্রেণী। এই সূরাগুলি মক্কাতে অবতীর্ণ হয়। এই সূরাগুলিরবিষয়বস্তুহচ্ছে : আকাশ- বাতাস, প্রকৃতি, পৃথিবীর অতীত ইতিহাস, রসুলদেরমুখনিঃসৃত বাণী সব কিছু আল্লাহ্‌র প্রত্যাদেশের স্বাক্ষর।আল্লাহ্‌রপ্রত্যাদেশ পরলোকের সত্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে।পূর্ববর্তীশ্রেণীর সূরাগুলি [ ৪৭ - ৪৯ ] নূতন মুসলিম উম্মারবহিঃর্বিশ্বের ওনিজেদের মাঝে আচরণ সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে। বর্তমানগ্রুপেরসূরাগুলিতে বিশেষ ভাবে পরলোকের সম্বন্ধে আলোচনা করাহয়েছে।এই বিশেষ সূরাটি মক্কী সূরাগুলির প্রথম দিকে অবতীর্ণ হয়।বিশ্বপ্রকৃতির প্রতি ও বিশ্ব ইতিহাসের পাপিষ্ঠদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণকরেমৃত্যু পরবর্তী জীবনের অবগুণ্ঠন খোলার প্রয়াস করা হয়েছে [ দেখুনআয়াত২২ ]।সার সংক্ষেপ : যারা সন্দেহবাতিক, পরলোকে বিশ্বাস করে নাতারাবিশ্বপ্রকৃতির দিকে, আকাশ ও নভোমন্ডলীর দিকে এবং ইতিহাস থেকেপাপীদেরশেষ পরিণতির দিকে লক্ষ্য করুক। তাদের অন্তরের উপর থেকেঅবগুণ্ঠন তুলেনেওয়ার পরেও কি তারা প্রত্যাদেশ সম্পর্কে সন্দেহ পোষণকরবে ? [ ৫০ : ১- ২৯ ]।হিসাব নিকাশের দিন ও বাস্তবতার দিনই প্রকৃত সত্য। [ ৫ ০ : ৩০ -৪৫]
সূরা নাস 1.0 APK
w3app9
সূরা নাস্‌ বা মানব জাতি -১১৪৬ আয়াত, ১ রুকু, মাদানী[ দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]ভূমিকা ও সার সংক্ষেপ : এটি একটি মাদানী সূরা। পূর্বোক্ত সূরাকেযদিগলার হারের সাথে তুলনা করা হয়, তবে এই সূরাটি হবে সেই হারেরলকেট।পবিত্র কোরাণ শরীফের এটিই শেষ সূরা এবং সূরাটিতে মানুষকে উপদেশদানকরা হয়েছে মানুষের প্রতি আস্থা স্থাপন না করে আল্লাহ্‌র প্রতিবিশ্বাসস্থাপন করতে। কারণ আল্লাহ্‌-ই হচ্ছেন একমাত্র রক্ষাকারী বিপদবিপর্যয়থেকে। এই সূরাতে বিশেষ ভাবে সাবধান করা হয়েছে অন্তরের মাঝেপাপের বামন্দের প্রলোভনের হাতছানি সম্বন্ধে। অর্থাৎ মানুষের রীপুসমূহযাআত্মাকে বিপথে চালিত করে।সূরা নাস্‌ বা মানব জাতি -১১৪৬ আয়াত, ১ রুকু, মাদানী[ দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]১। বল, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ৬৩০৭ মানব জাতির প্রভু ওপ্রতিপালকের৬৩০৮, -২। মানব জাতির রাজা [ এবং শাসন কর্তার ],৩। মানব জাতির 'ইলাহের ' নিকট। ৬৩০৮৬৩০৭। সূরা ফালাক, বাইরের পৃথিবীর বিপদ বিপর্যয় থেকে নিজেকেনিরাপদকরার জন্য আল্লাহ্‌র সাহায্য প্রার্থনার প্রতি মনোযোগ আকর্ষণকরাহয়েছে। এই সূরাতে আভ্যন্তরীন বিপদ বিপর্যয় থেকে অর্থাৎ আত্মরবিপদথেকে নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্য আল্লাহ্‌র নিরাপত্তা প্রার্থনাকরাহয়েছে। সূরা ফালাকে জাগতিক বিপদ থেকে আশ্রয় প্রার্থনার শিক্ষারয়েছে,সূরা নাসে পারলৌকিক বিপদ আপদ ও মুসীবত থেকে আশ্রয় প্রার্থনারপ্রতিগুরুত্ব দেয়া হয়েছে।৬৩০৮। আল্লাহ্‌র সাথে মানুষের সম্পর্ক হচ্ছে স্রষ্টা ওসৃষ্টির।স্রষ্টা ও সৃষ্টির সম্পর্ক তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তিরউপরেপ্রতিষ্ঠিত।১) আল্লাহ্‌ আমাদের প্রভু, সৃষ্টিকর্তা এবং প্রতিপালক।আল্লাহ্‌মানুষকে প্রতিপালন করেন এবং অনুগ্রহ দান করেন। তিনি মানুষকেবিভিন্ননেয়ামতে ধন্য করে থাকেন যার সাহায্যে সে ইহলৌকিক ও পারলৌকিককল্যাণসাধনে সক্ষম হয় এবং মন্দ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে।২) আল্লাহ্‌ হচ্ছেন বিশ্বভূবনের অধিপতি, সুতারাং মানুষেরও অধিপতিওশাসক। পৃথিবীর যে কোন অধিপতি থেকে তিনি প্রচন্ড শক্তিশালী।আল্লাহ্‌মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনার ক্ষমতা রাখেন -যে পথে মানুষেরজন্য কল্যাণনিহিত আছে। তিনি মানুষকে জীবনধারণের জন্য বিধান দানকরেছেন।৩) "মানুষের ইলাহ্‌ " অর্থাৎ মানুষের একমাত্র উপাস্য, পৃথিবীরকর্মজগতশেষ করে প্রতিটি মানুষকে আল্লাহ্‌র নিকট ফিরে যেতে হবে কর্মজীবনেরজবাবদিহিতার জন্য [২ : ১৫৬ ]।সে বিচার সভায় আল্লাহ্‌-ই হবেন একমাত্র বিচারক। পরলোকেরজীবনেআল্লাহ্‌র সান্নিধ্য লাভই হচ্ছে মানুষের ইহ জীবনের একমাত্রলক্ষ্য ওউদ্দেশ্য। আল্লাহ্‌-ই মানুষের একমাত্র উপাস্য বা ইলাহ্‌। এসবদৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করেই মানুষ শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র নিকটতারইহলৌকিক ও পারলৌকিক সর্ব নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করবে।৪। আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার [ খান্নাসের ] অনিষ্টথেকে,৬৩০৯৫। যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, -৬৩০৯। মানুষকে আল্লাহ্‌ স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি দান করেছেন। তারফলেমানুষের স্বাধীনতা আছে ভালো বা মন্দকে গ্রহণ করার। এইস্বাধীনতারসুযোগ গ্রহণ করে থাকে শয়তান। সে মানুষের হৃদয়ের মাঝেআত্মগোপন করেথাকে এবং মনের ভিতর থেকে কৌশলে পরোক্ষ ভাবে প্রতারণাপূর্ণকুমন্ত্রণাদান করে, যেনো মানুষ তার স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির অপব্যবহারকরে। মানুষকেমন্দ পথে চালিত করার এই শক্তি হচ্ছে শয়তানের শক্তি অথবামানুষ রূপেবিরাজিত শয়তান রূপ মানুষ অথবা জ্বিন যারা ভবিষ্যতের রঙ্গীনস্বপ্নদ্বারা মানুষকে প্রতারিত করে বিপথে চালিত করে [ ৬ : ১১২ ]।এরামানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয় গোপনে এবং মানুষকে প্রলুব্ধ করেসরেদাঁড়ায় - এর ফলে তাদের আমন্ত্রণ মানুষের নিকট আরও মনোহর মনেহয়।৬। জ্বিন ও মানুষ জাতির মধ্যে থেকে ৬৩১০।৬৩১০। এই আয়াতটির দ্বারা কুমন্ত্রণার উৎপত্তি স্থলকে আরও বিশদভাবেবর্ণনা করা হয়েছে। এই কুমন্ত্রণা দাতা হতে পারে মনুষ্যরূপ শয়তানযাদেরচর্মচক্ষুতে দেখা যায় অথবা অদৃশ্য অশুভ শক্তি যেমন জ্বিন যারাঅন্তরেরভিতর থেকে কুমন্ত্রণা দান করে। দেখুন শেষের টিকা। আল্লাহ্‌আমাদেরঅবগতির জন্য বলেছেন যে, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা আল্লাহ্‌রনিরাপত্তাপ্রার্থনা করবো, পৃথিবীর কোন অশুভ শক্তি তা বাহ্যিকই হোকদৃশ্যতঃ হোকবা অদৃশ্যই হোক, আমাদের কোন ক্ষতি করতে সক্ষম হবে না।দেখুন [ ৭৬ : ৩০] আয়াতের টিকা ৫৮৬১।মন্তব্য : লাবীদ ইবন আসিম নামক এক ইহুদী তার কন্যাদেরসহযোগীতায়রাসুলুল্লাহ্‌ (সা) কে তাঁর একটি কেশে এগারোটি গ্রন্থি দিয়েযাদুকরেছিলো। এর প্রভাবে রাসুলুল্লাহ্‌ (সা) এর কষ্ট হচ্ছিল, তখন ১১আয়াতবিশিষ্ট সূরা ফালাক ও সূরা নাস্‌ এই দুটি সূরা অবতীর্ণ হয়,প্রতিটিআয়াত আবৃত্তি করে, ফুঁক দেয়া হলে, এক একটি গ্রন্থি খুলে যায়এবং যাদুরপ্রভাব বিদূরীত হয়।
সূরা আল-হাশর 1.0 APK
w3app9
সূরা হাশ্‌র বা জনতা -৫৯২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী[ দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]ভূমিকা : মদিনায় অবতীর্ণ ছোট সূরাগুলির মধ্যে দশটি সূরার যেশ্রেণীরউল্লেখ করা হয়েছে তার মধ্যে এটি তৃতীয় নম্বর। এই শ্রেণীরসূরাগুলিতেমুসলিম উম্মার জীবন বিধানের বিশেষ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণদিকগুলির আলোচনাকরা হয়েছে। এ ব্যাপারে দেখুন ৫৭ নং সূরার ভূমিকা। এইসূরার বিশেষ বিষয়হচ্ছে যে কিভাবে উম্মার বিরুদ্ধে যারা বিশ্বাসঘাতকতাকরেছিলো, তাদেরবিশ্বাসঘাতকতা তাদেরই পরাজয়ের কারণ হয়েছিলো। অপরপক্ষেবিশ্বাসঘাতকতারফলে উম্মার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে মৈত্রী বন্ধন দৃঢ়হয়। ইহুদীগোত্র বানু নাদিরের উদাহরণের সাহায্যে উপরের বক্তব্যকে তুলেধরাহয়েছে। ঘটনাটি সংঘটিত হয় ৪র্থ হিজরীর রবিউল মাসে।এখান থেকে সূরাটির অবতীর্ণ কাল সম্বন্ধে ধারণা করা যায়।সার সংক্ষেপ : বিশ্বাসঘাতক ইহুদীদের বিতারণ প্রক্রিয়ানির্বিঘ্নেসম্পন্ন হয়েছে। ইহুদীদের নিরাপদ দূর্গ ও মিত্র শক্তি তাদেররক্ষা করতেসক্ষম হয় নাই। সব কিছুই বৃথা প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু এ ঘটনামুসলিমসম্প্রদায়ের নিজেদের বন্ধনকে দৃঢ় করেছে। এ সকলই আল্লাহ্‌র জ্ঞানওপ্রজ্ঞার স্বাক্ষর। যিনি সুন্দর নামের যোগ্য। [ ৫৯ : ১ - ২৪ ]।
সূরা ফাতহ (العربية ,উচ্চারণ, অর্থ, English, Mp3) 1.0 APK
w3app9
সূরা ফাত্‌-হ অথবা বিজয় - ৪৮২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী[দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]ভূমিকা : ১) ৪৭ নং সূরার ভূমিকাতে মদিনাতে অবতীর্ণ সূরাগুলির যেশ্রেণীবিভাগ করা হয়েছে সেই শ্রেণীর এটি দ্বিতীয় সূরা। এই সূরাটিরসময়কালহুদায়বিয়ার সন্ধির সময়কাল আর তা হচ্ছে ৬ই হিজরী জুল-কাদ মাস বা৬২৮খৃষ্টাব্দ ও ফেব্রুয়ারী মাস।২) রাসুলের (সা ) জীবদ্দশায় হুদায়বিয়ার সমতলভূমির অবস্থান ছিলোমক্কাথেকে মদীনা গামী রাস্তার সামান্য পশ্চিমে। মক্কা থেকে দূরত্বছিলোউত্তরে একদিনের রাস্তা। রাসুলের ( সা ) হিজরতের পরে ছয় বৎসরঅতিবাহিতহয়ে পড়েছে। তার প্রিয় জন্মভূমি মোশরেক কোরাইশদেরস্বেচ্ছাচারীকর্তৃত্বের অধীনে। কিন্তু এই ছয় বৎসরে মদীনায় ইসলামবিস্তৃতি লাভ করে।ইতিমধ্যে মুসলমানদের কিব্‌লা নির্ধারিত হয়েছে পবিত্রকাবা অভিমুখে।সুতারাং মক্কা নগরী তথা কাবা মুসলমানদের অতি প্রাণপ্রিয়পবিত্রস্থানরূপে পরিগণিত হতো। সেই প্রাচীনকাল থেকে এই প্রথা চলেআসছিলো যে,আরবের প্রতিটি অধিবাসী নিরস্ত্র অবস্থায় পবিত্র কাবাঘরপ্রদক্ষিণ করারঅধিকার রাখে। এই পবিত্র স্থানে পবিত্র মাসে [ দেখুন ২ :১৯৪ সূরারটিকা ২০৯ ] সকল প্রকার যুদ্ধ বিগ্রহ নিষিদ্ধ। এই পবিত্রমাসগুলোরমধ্যে জুল-কাদ মাস অর্ন্তভূক্ত। সে কারণেই ৬ষ্ঠ হিজরীরজুল-কাদ মাসেরাসুলুল্লাহ্‌ (সা ) সংক্ষিপ্ত হজ্জ বা উমরা করারসিদ্ধান্ত গ্রহণকরেন। [ দেখুন ২ : ১৯৬ ] আয়াতের টিকা ২১২ ]। সে ভাবেইরাসুল (সা )নিরস্ত্র অবস্থায় তাঁর অনুসারীদের সমভিব্যবহারে মদিনা থেকেমক্কার পথেযাত্রা করেন। চৌদ্দশ থেকে পনেরশ মুসলমানের বিশাল দল তাঁরসঙ্গীহন।৩) মুসলামনদের এই তীর্থযাত্রা, মক্কার স্বেচ্ছাচারী মোশরেককোরাইশদেরমনঃপুত হলো না। তাদের পাপিষ্ঠ মন শঙ্কায় পরিপূর্ণ হলো। তারানিরস্ত্রমুসলমান তীর্থযাত্রীদের বাধাদানে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করলো।ফলেআল্লাহ্‌র রাসুল মক্কাতে প্রবেশ না করে মক্কা থেকে সামান্যপশ্চিমেযেয়ে হুদায়বিয়া নামক স্থানে অবস্থান গ্রহণ করেন, যেখান থেকেতিনিকোরাইশদের সাথে সন্ধির আলোচনা করেন। রাসুল (সা ) যে কোনওমূল্যেপবিত্র স্থানে কোরাইশদের সংহিসতা প্রতিরোধ করতে বদ্ধ পরিকরছিলেন।অপরপক্ষে বিগত ছয় বৎসরের অভিজ্ঞতা কোরাইশদের এই শিক্ষা দেয়যে,ইসলামকে ধ্বংস করা সম্ভব নয়, বরং চর্তুদিক থেকে তাদের শক্তি সীমিতহয়েআসছে এবং ইসলামের ব্যপক প্রসার লাভ ঘটছে। ইসলামের আধ্যাত্মিকক্ষমতারপ্রকাশ তারা বিভিন্ন সময়ে সাংগঠনিক ও প্রতিরোধ ক্ষমতারমাধ্যমেউপলব্ধি করেছে। ফলে তারা রাসুলের (সা ) সাথে হুদায়বিয়ার নামকস্থানেসন্ধি চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে ইসলামকে এবং মুসলমানদের অস্তিত্বকেস্বীকারকরে নেয়। পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ নেতার অধীনে সমগ্র মুসলিমরাহুদায়বিয়ানামক স্থানে বৃক্ষের নীচে [ ৪৮ : ১৮ ] চুক্তির স্বপক্ষে যেভাবেএকত্বতা প্রদর্শন করে থাকেন তা ভবিষ্যতের বিশাল শক্তিশালীজাতীয়বাদেরইইঙ্গিত বহন করে।৪) এ ভাবেই সন্ধির চুক্তিপত্র সাক্ষরিত হয় যা হুদায়বিয়ার সন্ধিনামেবিখ্যাত। চুক্তির শর্তসমূহ ছিলো নিম্নরূপ :১) দুদলের মাঝে দশ বছরের জন্য শান্তির চুক্তি বলবৎ থাকবে।২) যে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠি নিজ স্বাধীনতা অনুযায়ী যে দলে ইচ্ছামিলিতহওয়ার ক্ষমতা রাখে।৩) মক্কার কোরাইশদের অধীনের কোনও কোরাইশ যদি কোরাইশদের অনুমতিব্যতীতমদিনায় গমন করে ও মদিনায় রাসুলের (সা ) আনুগত্য স্বীকার করে,তবেতাঁকে মক্কাতে ফেরত দিতে মুসলমানেরা বাধ্য থাকবে। অপরপক্ষে,বিপরীতক্ষেত্রে মুসলিমদের জন্য এই আইন প্রযোজ্য থাকবে না।৪) রাসুল (সা ) এবং তাঁর অনুসারীরা সে বছর মক্কাতে প্রবেশের অনুমতিলাভকরবেন না। পরবর্তী বছর থেকে নিরস্ত্র অবস্থায় তাঁরা মক্কানগরীতেপ্রবেশের অধিকার লাভ করবেন।৫। উপরিউক্ত চুক্তির তিন নম্বর ধারাটি সমতার ভিত্তিতে সম্পাদিতনাহওয়াতে মুসলিম শিবিরে অসন্তোষের জন্ম দেয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষেএটাকোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিলো না। কোনও মুসলিমকে মক্কাতে ফেরতপাঠানোরঅর্থ এই নয় যে, তাঁকে স্বধর্ম ত্যাগ করতে হবে বা তিনি ইসলামেরতথাআল্লাহ্‌র অনুগ্রহ বঞ্চিত হবেন। প্রকৃতপক্ষে এমন প্রতিকূলঅবস্থারবিরুদ্ধেও ইসলামকে যিনি নিজ জীবনে ধারণ করবেন, তিনি অবশ্যইতাঁরউদাহরণ দ্বারা অপরকেও ইসলাম গ্রহণে প্রভাবিত করতে সক্ষম হবেন।মক্কাতেইসলাম প্রচারের তিনিই হবেন মধ্যমণি। এই দৃষ্টিকোণ থেকে ঈমানেরদৃঢ়তায়দৃঢ় এই সব মুসলিমদের মদিনাতে অবস্থান করা অপেক্ষা মক্কাতেঅবস্থান করাইসলাম প্রচারের জন্য সে সময়ে অধিক প্রয়োজন ছিলো।সার সংক্ষেপ : ঠান্ডা মাথায় উত্তেজনাহীন সাহস, আন্তরিকতা,বিশ্বস্ততা,শৃঙ্খলা, বিশ্বাস এবং ধৈর্য্য এগুলিই হচ্ছে প্রকৃত বিজয়লাভের মাধ্যমযেমন হুদায়বিয়ার প্রান্তরে মুসলমানেরা প্রদর্শন করেন।সুতারাং বিজয়েরজন্য আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভরশীল হও এবং রাসুলের (সা )আনুগত্য কর। [ ৪৮: ১ - ২৯ ]।
সূরা আল মুলক (العربية ,উচ্চারণ, অর্থ,English, Mp3) 1.0 APK
w3app9
সূরা মুল্‌ক বা সম্রাজ্য - ৬৭৩০ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী[দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]ভূমিকা ও সার সংক্ষেপ : এতক্ষণে আমরা কোরাণ শরীফের পনের ভাগেরচৌদ্দভাগ শেষ করেছি। এ পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে ধাপে ধাপে দেখানোহয়েছেউম্মার মুসলিম ভাতৃত্বের বিকাশের অগ্রগতি।এই সূরাতে এসে ধারাবাহিকতাতে সাময়িক যতি টানা হয়েছে। পরবর্তীপনেরটিসূরা হচ্ছে গীতি কবিতা। এর অধিকাংশ মক্কাতে অবতীর্ণ। এইসূরাগুলির মূলবিষয়বস্তু হচ্ছে মানুষের আধ্যাত্মিক জীবন। এগুলিকে অন্যধর্মেরপ্রার্থনা সঙ্গীত বা ধর্মীয় সংগীতের সাথে তুলনা করা চলে যাআধ্যাত্মিকভাবধারাতে পূর্ণ। কোরাণের এই সূরাগুলি বিশেষবৈশিষ্ট্যমন্ডিত। এগুলিরসৌন্দর্য, গভীর অর্থ, মহনীয়তা, চমৎকারিত্ব এবংসর্বপরি মনের উপরে এরপ্রভাব, অতুলনীয়। যেহেতু এই সূরাগুলির উৎসমহাজ্যোতির্ময় প্রভুর মহানঅস্তিত্বকে ধারণ করে, সেহেতু এগুলিরহেদায়েতের আলো অন্তরের গভীরঅন্ধকারকে বিদির্ণ করে প্রবেশ লাভে সক্ষম।যদিও ক্ষণস্থায়ী পার্থিবজীবনকেই মনে হয় প্রকৃত সত্য, কিন্তুপ্রকৃতপক্ষে তা হচ্ছে প্রকৃতজীবনের নগন্য ও সামান্য পরিমাণ এবং দ্রুতঅপসৃয়মান। এ সব সূরারভাবধারাকে প্রকাশের জন্য অনেক ক্ষেত্রেইপ্রতীকধর্মী ভাষা ব্যবহার করাহয়েছে যা আমাদের চেনা জানার জগতেরআধ্যাত্মিক দিগন্তকে উন্মোচিতকরে।পরলোকের অনন্ত জীবনের তুলনায় ইহলোকের অস্তিত্ব ছায়ার ন্যায়।বাইরেরচাকচিক্যময় পার্থিব জীবন ও গভীর আধ্যাত্মিক জীবনের তুলনারমাধ্যমেআমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।এই সূরাটি মধ্য মক্কান সূরা ; ৬৯ ও ৭০ নং সূরার অবতীর্ণহওয়ারপূর্বক্ষণে এ সূরাটি অবতীর্ণ হয়। এ সূরাতে আল্লাহকে সম্বোধন করাহয়েছেরাহমান [ পরম করুণাময় ] হিসেবে। যে ভাবে তাঁকে সম্বোধন করা হয়েছেরব [প্রভু ও প্রতিপালক ] এবং রাহ্‌মান হিসেবে ৬৯ নং সূরাতে।সূরা মূলক-এর ফজিলতহজরত আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহসাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন; " কোরআন শরীফে ৩০ আয়াত বিশিষ্টএকটি সূরাআছে, যা তার তেলাওয়াতকারীকে ক্ষমা করে না দেয়া পর্যন্ত তারজন্যসুপারিশ করতেই থাকবে। সূরাটি হলো تبارك الذي بيدهالملك.--‪#‎তাবারাকাল্লাযী‬ বি ইয়াদিহিল মূলক অর্থাৎ ‪#‎সূরা‬ মূলক…(আবুদাউদ-১৪০২, তিরমিজি-২৮৯১, ইবনে মাজাহ-৩৭৮৬, মুসনাদেআহমদ-২/২৯৯)অন্য এক হাদিসে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন," আমারমনচায় প্রত্যেক মুমিনের হৃদয়ে যেনো সূরা মূলক মুখস্ত থাকে।"[বায়হাকীরশুআবুল ইমান-২৫০৭]আরেকটি এক হাদিসে বর্ণিত আছে, যে এ সূরা তেলাওয়াতকারীর আমলনামায়অন্যসূরার ‪#‎তুলনায়_৭০‬ টি নেকী বেশি লিখা হবে এবং ‪#‎৭০টি‬ গোনাহমুছেফেলা হবে। (তিরমিজি-২৮৯২)আর যে ব্যক্তি নিয়মিত সুরা মূলকের আমল করবে সে ‪#‎কবরের‬ আজাবথেকেমুক্তি পাবে। (তিরমিজি-২৮৯০, মুসতাদরাকে হাকেম)হাদীসে আছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো রাতে সুরামূলকনা পড়ে ঘুমাতেন না। (তিরমিজি-২৮৯২, হিসনে হাসিন)৯) আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,‘কুরআনের তিরিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি সূরা এমন আছে , যা তার পাঠকারীরজন্যসুপারিশ করবে এবং শেষাবধি তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে,সেটাহচ্ছে‘তাবা-রাকাল্লাযী বিয়্যাদিহিল মূলক’ (সূরা মূলক)। (আবূদাউদ১৪০০)
সূরা আন নিসা 1.0 APK
w3app9
সূরা নিসা বা নারী - ৪আয়াত ১৭৬, রুকু ২৪, মাদানী[দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহর নামে]ভূমিকাঃ এ সূরা ধারাবাহিকতায় সূরা ৩ এর সাথে সংযুক্ত। এরআলোচনারবিষয়বস্তু হচ্ছে, ওহুদের যুদ্ধের পর পরই নূতন মুসলিম সমাজে যেসমস্যাসমূহের উদ্ভব হয় তারই উপর। যদিও ঐ বিশেষ ঘটনার সময়েরপ্রেক্ষিতেসূরাটি নাজেল হয়, কিন্তু এর বিধি-বিধান মুসলিম সমাজের জন্যস্থায়ীভাবেবিধিবদ্ধ হয়।tag : আল ফাতিহা, আল বাকারা, আল ইমরান, আন নিসা, আল মায়িদাহ, আলআনআম,আল আরাফ, আল আনফাল, আত তাওবাহ, ইউনুস, হুদ, ইউসুফ, আর রাদ,ইব্রাহীম,আল হিজর, আন নাহল,বনী-ইসরাঈল, আল কাহফ, মারইয়াম, ত্বোয়া-হা, আল আম্বিয়া, আলহাজ্জ্ব,আল মুমিনূন, আন নূর, আল ফুরকান, আশ শুআরা, আন নম্‌ল, আলকাসাস, আলআনকাবূত, আর রুম, লোক্‌মান,আস সেজদাহ, আল আহ্‌যাব, সাবা, ফাতির, ইয়াসীন, আস ছাফ‌ফাত,ছোয়াদ,আয‌-যুমার, আল মুমিন, হা-মীম, আশ-শূরা, আয-যুখরুফ, আদ-দোখান,আলজাসিয়াহ, আল আহ্ক্বাফ, মুহাম্মদ,আল ফাতহ, আল হুজুরাত, ক্বাফ, আয-যারিয়াত, আত্ব তূর, আন-নাজম,আলক্বামার, আর রাহমান, আল ওয়াক্বিয়াহ, আল হাদীদ, আল মুজাদালাহ,আলহাশ‌র, আল মুম‌তাহিনাহ, আস সাফ,আল জুমুআহ, আল মুনাফিকূন, আত তাগাবুন, আত ত্বালাক, আত তাহ‌রীম,আলমুল‌ক, আল ক্বলম, আল হাক্কাহ, আল মাআরিজ, নূহ, আল জ্বিন,আলমু্‌যাম্মিল, আল মুদ্দাস্‌সির, আল ক্বিয়ামাহ,আদ দাহ‌র, আল মুরসালাত, আন নাবা, আন নাযিয়াত, আবাসা, আত তাক‌ভীর,আলইন্‌ফিতার, আত মুত্বাফ‌ফিফীন, আল ইন‌শিকাক, আল বুরুজ, আত তারিক্ব,আলআলা, আল গাশিয়াহ,আল ফাজ্‌র, আল বালাদ, আশ শামস, আল লাইল, আদ দুহা, আল ইনশিরাহ,আতত্বীন, আল আলাক, আল ক্বাদর, আল বাইয়্যিনাহ, আল যিল্‌যাল, আলআদিয়াত,আল ক্বারিয়াহ, আত তাকাসুর,আল আছর, আল হুমাযাহ, আল ফীল, কুরাইশ, আল মাউন, আল কাওসার, আলকাফিরুন,আন নাসর, আল লাহাব, আল ইখলাস, আল ফালাক, আন নাস,Al-Fatihah,Al-Baqarah,Al-Imran,An-Nisa,Al-Maidah,Al-Anam,Al-Araf,Al-Anfal,Al-Baraat,Yunus,Hud,Yusuf,Ar-Rad,Ibrahim,Al-Hijr,An-Nahl,BaniIsrail,Al-Kahf,Maryam,TaHa,Al-Anbiya,Al-Hajj,Al-Muminun,An-Nur,Al-Furqan,Ash-Shuara,An-Naml,Al-Qasas,Al-Ankabut,Ar-Rum,Luqman,As-Sajdah,Al-Ahzab,Al-Saba,Al-Fatir,YaSin,As-Saffat,Sad,Az-Zumar,Al-Mumin,HaMim,Ash-Shura,Az-Zukhruf,Ad-Dukhan,Al-Jathiyah,Al-Ahqaf,Muhammad,Al-Fath,Al-Hujurat,Qaf,Ad-Dhariyat,At-Tur,An-Najm,Al-Qamar,Ar-Rahman,Al-Waqiah,Al-Hadid,Al-Mujadilah,Al-Hashr,Al-Mumtahanah,As-Saff,Al-Jumuah,Al-Munafiqun,At-Taghabun,At-Talaq,At-Tahrim,Al-Mulk,Al-Qalam,Al-Haqqah,Al-Maarij,Nuh,Al-Jinn,Al-Muzzammil,Al-Muddaththir,Al-Qiyamah,Al-Insan,Al-Mursalat,An-Naba,An-Naziat,Abasa,At-Takwir,Al-Infitar,At-Tatfif,Al-Inshiqaq,Al-Buruj,At-Tariq,Al-Ala,Al-Ghashiyah,Al-Fajr,Al-Balad,Ash-Shams,Al-Lail,Ad-Duha,Al-Inshirah,At-Tin,Al-Alaq,Al-Qadr,Al-Bayyinah,Al-Zilzal,Al-Adiyat,Al-Qariah,At-Takathur,Al-Asr,Al-Humazah,Al-Fil,Al-Quraish,Al-Maun,Al-Kauthar,Al-Kafirun,An-Nasr,Al-Lahab,Al-Ikhlas,Al-Falaq,An-Nas,w3app9,Para 01,Para 02,Para 03,Para 04, Para 05, Para 06,Para 07,Para08,Para 09,Para 10,Para 11,Para 12,Para 13,Para 14,Para15,Para 16,Para 17,Para 18,Para 19,Para 20,Para 21,Para 22,Para23,Para24,Para 25, Para 26,Para 27, Para 28, Para 29,Para30,surah, sura, para, al-quran, quran, bangla quran,সহীহ কুরআন শরীফ, পারা তাবলীগের বই সমূহ , আরবী অডিও, বাংলা অডিওএবংআরবী+বাংলা অডিও, সিয়াহ সিত্তা বা বিশুদ্ধ ৬টি গ্রন্থ ,বিশুদ্ধ ৬টি গ্রন্থ, সহীহ বুখারী/বুখারী শরীফ(সম্পূর্ণ),সহীহ্মুসলীম/মুসলিম শরীফ (১ম খণ্ড – ৮ম খণ্ডসম্পূর্ণ),সুনানু নাসাঈ/সুনানু নাসাঈ শরীফ (১ম খণ্ড -৫ম খণ্ড সম্পূর্ণ),সুনানে আবু দাউদ/আবু দাউদ শরীফ (১ম-৫ম খণ্ড সম্পূর্ণ),সহীহ আত্-তিরমিযী/তিরমিযী শরীফ (১ম খণ্ড – ৬ষ্ঠ খণ্ড সম্পূর্ণ),সুনানু ইবনে মাজাহ্/ইবনে মাজাহ শরীফ (১ম খণ্ড – ৩য় খণ্ডসম্পূর্ণ),বাংলা অনুবাদ, আরবী, আরবী ও বাংলা অনুবাদ, tafsir, তাফসীর ,উচ্চারণএবং অর্থ ,নামকরণ এবং শানে নুযূল, সূরা, জাতীয় তথ্যবাতায়ন,আল-কুরআন, বাংলা অর্থ সহ, quran tilawat, কুরআন তিলাওয়াত, mp3,audio,Al Quran ( কুরআন )
সূরা আল-ফুরকান 1.0 APK
w3app9
সূরা ফুরকান বা মানদণ্ড - ২৫৭৭ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী[ দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]ভূমিকা : জ্ঞানী ও মূর্খ , পূণ্যাত্মা ও পাপী , আত্মিক সমৃদ্ধিওআত্মিক অধঃপতনের মধ্যে বৈষম্য প্রদর্শনের মাধ্যমে তুলনা করার জন্যআলোও অন্ধকারের উপমাকে এই সূরাতে ব্যবহার করা হয়েছে। মোমেন বান্দারপরিচয়তার কর্মের মাধ্যমে। এই কর্মের সঞ্চার মাধ্যমে এই সূরাকে শেষকরাহয়েছে।এই সূরাটি প্রধানতঃ একটি মক্কী সূরা। কিন্তু এর অবতরণ কালসম্বন্ধেকোনও নির্দ্দিষ্ট সময় বা তারিখ জানা যায় না।সারসংক্ষেপ : মানুষের প্রতি আল্লাহ্‌র সর্বোচ্চ দান বা নেয়ামতহচ্ছেতিনি মানুষকে ন্যায়, অন্যায় , পাপ ও পূন্যের মানদন্ড দানকরেছেন।আল্লাহ্‌ প্রত্যাদেশের মাধ্যমে আমাদের পরকালের অনন্ত জীবনেরতাৎপর্যসম্বন্ধে শিক্ষা দান করেন [ ২৫ : ১ - ২০ ]।যারা পৃথিবীতে এই মানদন্ড মেনে চলে না , শেষ বিচারের দিনেতাদেরঅবর্ণনীয় দুঃখ হবে। আল্লাহ্‌ সর্বদা, মানুষকে সাবধান করেদিয়েছেন। [২৫ : ২১ - ৪৪ ]।সূর্যকিরণ ও ছায়া , রাত্রি ও দিন , মৃত্যু ও জীবন এবংআল্লাহ্‌রসৃষ্টির শৃঙ্খলা ও সমন্বয়ের অনুধাবনের মাঝে, মানুষের জন্যনিহিত আছেআল্লাহ্‌র মহত্বকে অনুধাবনের ও শিক্ষার ব্যবস্থা। মোমেনবান্দারগুণাবলীই তাকে আল্লাহ্‌র তত্ববধানের উপযুক্ত করে। [ ২৫ : ৪৫ -৭৭]।
Loading...